প্রসঙ্গ: রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে জিহাদের ডাক ও আমাদের করণীয়

 প্রসঙ্গ: রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে জিহাদের ডাক ও আমাদের করণীয়

الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله وعلى آله وصحبه ومن والاه أما بعد:

ফিতনা, ফ্যাসাদ, মিথ্যাচার এবং ইলম ও ‘আলীম শূন্যতার আজকের এই দুঃসময়ে কিছু “আল্লামা”, “শাইখুল হাদীস” ও “মুফতী”গণ তরুণ প্রাণদের অর্থহীন শূন্যতার দিকে ডাক দিচ্ছেন হ্যামেলিনের বংশীবাদকের মত।

এভাবেই মায়ানমারের অনেক মুসলমান অসহায়ের মত সাগরের ভেসে বেড়াচ্ছে।

স্বাধীনতার পরের সময়টায়, ঠিক একইভাবে আরেকটা ভিন্ন “ব্র্যান্ডের” হ্যামেলিনের বংশীবাদকেরা তরুণ প্রাণদের ডেকেছিলেন “বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের” দিকে – আর তরুণ প্রাণেরা দলে দলে নিজেদের লেখাপড়া, বাড়িঘর ছেড়ে ছুটে গিয়েছিল এক “অজানা অর্থ হীনতা”র বেদীতে বলি হতে। আজো ঐ সব বংশীবাদকদের অনেকেই দিব্যি শান-শওকতে বেঁচে আছেন – দামী গাড়ী চড়ছেন, পাঁচ তারা হোটেলের অন্ধকার কোনে বসে মদ গিলছেন, কেউ বা গৃহপালিত বিরোধী দল হয়ে অতীতে মন্ত্রিত্ব উপভোগ করেছেন, কেউ বা তাদেরই সাথে আজ আনন্দে মেতে আছেন – যাদের বিরুদ্ধে বিপ্লবের ডাক দিয়ে তরুণ প্রাণগুলোকে তারা মৃত্যুর দরজায় ঠেলে দিয়েছিলেন। অথচ, তখন তাদের কথাগুলো কি ভয়ঙ্কর রকমের সুন্দর ও সত্য লেগেছিল তরুণদের কানে – যে জন্য বংশীবাদকদের ঐ মরণ সুর বেজে উঠতেই তারা মোহাবিষ্ট হয়ে দলে দলে গণবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন, পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে হারিয়ে যেতে!

আজ রোহিঙ্গা সংকটকে কেন্দ্র করে নতুন বংশীবাদকেরা নাকি তরুণ প্রাণদের জিহাদের ডাক দিচ্ছেন – এমন তরুণ প্রাণদের যারা হয়তো ভালো/শুদ্ধ করে সূরা ফাতিহাও পড়তে জানেন না – জ্বিহাদের জটিল ফিকাহ তো বহু দূরের কথা!! এই তো সেদিন এসব আল্লামাদের পূর্বসূরিরা “জর্দার কৌটা বোমা” দিয়ে জ্বিহাদ করে দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র প্রতীয়মান করার কাজে কাফিরদের সহায়তা করে গেলেন – তাতে ইসলামের বা মুসলিমদের কি লাভ হয়েছে তারাই জানেন। আমি কেবল বুঝি যে, আজ নাগরিক ঢাকার টেলিভিশন দেখা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের কেজির একটা বাচ্চা হয়তো লম্বা দাড়ি কোন তরুণকে দেখে ভয়ে মায়ের আঁচলে মুখ লুকায়! আজকের আল্লামারা যা করতে চাইছেন, তাতে হয়তো দু’দিন পরে দাড়ি রাখতে লাইসেন্স লাগবে। এর মূলে একটাই কারণ দ্বীনের ইলম ও ‘আলীমের অভাব।

আসুন তাহলে এই ব্যাপারে একটু জেনে নিই এমন একজন ‘আলীমের কাছ থেকে যিনি মদীনাহ্ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিকহের উপর পি.এইচ.ডি করেছেন। যারা কিতাবি শিক্ষার মর্ম বোঝেন ও খোঁজেন, তাদের অবগতির জন্য: বিলাল ফিলপ্স, ইয়াসির কাথি, মোহাম্মাদ আল শরীফ, ইউসুফ এস্টেস, তৌফিক চৌধুরী এদের কেউই কিন্তু দ্বীন শিক্ষায় আমাদের এই ‘আলীমের সমকক্ষ নন। আমরা: এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় কি – আসুন তাহলে তা জেনে নিই ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহর কাছ থেকে

 ভিডিও লেকচারটি শুনুন এখান থেকে:

[youtube=http://www.youtube.com/watch?v=kxk2OOJ_zAg&feature=youtube_gdata_player]

কৃতজ্ঞাতা স্বীকার: আহসানুল করীম

Leave a Reply