হাদীসের মর্যাদা ও হাদীস অমান্য করার পরিণতি-২

(ডাউনলোড-৩৪০কেবি)

মজলুম ইমাম বুখারী এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে হাদীস লেখার প্রচলন:

হাদীছের অস্বীকারকারীরা ইমাম বুখারী (রহঃ)এর উপর সবচেয়ে বেশী আক্রমণ করে। বলে যে, তিনিই নাকি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর মৃত্যুর ২০০/৩০০ বছর পর সবার আগে হাদীছ লিখেছেন এবং মিথ্যা ছড়িয়েছেন! কি দুঃখজনক আশ্চর্য ধরণের মূর্খতা! সত্যিই আপনি মাজলুম হে ইমাম বুখারী! তাতে কি? ওরা তো আপনার পূর্বে নবী-রাসূলদেরকেও মিথ্যাবাদী বলতে ছাড়ে নি, আপনাকে তো বলবেই।

فَإِنْ كَذَّبُوكَ فَقَدْ كُذِّبَ رُسُلٌ مِنْ قَبْلِكَ جَاءُوا بِالْبَيِّنَاتِ وَالزُّبُرِ وَالْكِتَابِ الْمُنِيرِ

“তাছাড়া এরা যদি তোমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, তবে তোমার পূর্বেও এরা এমন বহু নবীকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, যারা নিদর্শন সমূহ নিয়ে এসেছিলেন এবং এনেছিলেন সহীফা ও প্রদীপ্ত গ্রন্থ। (সূরা আলে ইমরান: ১৮৪)
যে ইমাম বুখারী হাদীছ সংকলনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন, বিশুদ্ধ হাদীছ সংগ্রহ করতে সবচেয়ে বেশী পরিশ্রম করেছেন। সেই ইমাম বুখারী (রহঃ) আজ মিথ্যা অপবাদে আক্রান্ত। ইসলামের শত্রুরা এরূপই বলে থাকে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে হাদীস লেখার প্রচলন:
আমি এখানে উল্লেখ করব যে ইমাম বুখারীই সর্বপ্রথম হাদীছ সংকলন করেননি বা লিপিবদ্ধ করেন নি; বরং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর যুগেই কিছু কিছু হাদীছ লিপিবদ্ধ শুরু হয়েছিল। যেমনটি তিনি নিজেই হাদীছ সংরক্ষণ করার তাগিদও দিয়েছিলেন।
তিনি বিদায় হজ্জে ভাষণ দেয়ার পর বলেছিলেন, আমার এই কথাগুলো যারা উপস্থিত তারা অনুপস্থিত লোকদের নিকট যেন পৌঁছে দেয়। (বুখারী ও মুসলিম)

জুবাইর বিন মুততেম (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জে, মিনার মসজিদে খায়ফে আমাদের সম্মুখে বক্তব্য রাখলেন। তিনি বললেন:

مَنْ لَمْ يَسْمَعْهَا فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ لا فِقْهَ لَهُ ، وَرُبُّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ

“আল্লাহ সেই বান্দাকে উজ্জ্বলতা দান করুন, ‍যে আমার কথা শুনেছে, মুখস্থ করেছে ও ধারণ করে রেখেছে। অতঃপর যারা তা শুনে নি তাদের কাছে পৌঁছিয়ে দিয়েছে। কেননা কতক জ্ঞান বহনকারী, নিজে জ্ঞানী নয়। আর কতক জ্ঞান বহনকারী ব্যক্তি তার চেয়ে বেশী জ্ঞানীর নিকট তা পৌঁছিয়ে থাকে।” (ত্বাবরানী)

  •  ১) আবু হুরাইরা (রা:) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাহাবীদের মধ্যে আমার চেয়ে বেশী কেউ হাদীছ বর্ণনা করেন নি। তবে আবদুল্লাহ বিন আমরের কথা ভিন্ন। কারণ তিনি হাদীছ লিখে রাখতেন, আর আমি লিখতাম না। (সহীহ্ বুখারী, ১/১৯৩)
  •  ২) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের পর একটি ভাষণ দিলেন এবং মুসলিম জাতির জন্যে কিছু বিধি-বিধান আলোচনা করলেন। তাঁর ভাষণ শেষ হলে আবু শাহ্ নামে জনৈক ব্যক্তি যে ইয়েমেনে থেকে এসেছিল বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এগুলো লিখে দিন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বললেন, اكْتُبُوا لِأَبِي شَاهٍ তোমরা আবু শাহকে হাদীছ লিখে দাও।(বুখারী ৮/২৯৩, হা/২২৫৪)
  • ৩) আবু জুহাইফা বলেন, আমি আলী (রা:)কে প্রশ্ন করলাম, আল্লাহর কিতাব ব্যতীত কোন কিতাব কি আপনাদের নিকট আছে? তিনি বললেন, আল্লাহর কিতাব ব্যতীত কোন কিতাব আমার নিকট নেই। তবে আল্লাহর কিতাবের জ্ঞান যা কোন মুসলমানকে আল্লাহ দিয়েছে এবং এই সহীফা (দফতর)এর ভিতর যা লিখা আছে। আমি বললাম, সহীফাতে কি লিখা আছে? তিনি বললেন, রক্তপণ, বন্দী মুক্তির নিয়ম, আরও লিখা আছে, কাফেরকে হত্যা করার কারণে মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না।
  •  ৪) বুখারীর অন্য বর্ণনায় আলী (রা:) থেকে আরও উল্লেখ আছে, সহীফাতে আরও লিখা আছে কেউ কাউকে জখম করলে তার বিচার কি পন্থায় করতে হবে, উটের বয়স কত হলে যাকাত দিতে হবে, মদীনা শরীফের হারাম এলাকার সীমানা কতদূর? কোন মুসলমান যদি কাউকে নিরাপত্তা দেয় তার বিধান কি? আর ঐ নিরাপত্তা লঙ্ঘন করলে তার করণীয় কি? ইত্যাদি। (দীর্ঘতার ভয়ে পূরা হাদীছটি উল্লেখ করলাম না) (দ্রঃ বুখারী ১/১৯১,হা/১০৮ ও ১০/৪৩৪ হা/২৯৩৬ হাদীছটি আরও বর্ণনা করেছেন ইমাম মুসলিম, হা/১৩৭০। ইমাম আহম)
  •  ৫) ইমাম আহমাদ এবং হাকেম আরও বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আস (রা:)এর নিকট একটি কিতাব ছিল, যা তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নিকট থেকে লিখে রেখেছিলেন। ঐ কিতাবটির নাম ছিল ‘সাহীফা সাদেকা। (ঐ)

এই সকল বর্ণনা থেকে একথা স্পষ্ট হয় যে, সাহাবীয়ে কেরাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদীছ লিপিবদ্ধ করতেন। তাঁদের মধ্যে আলী (রা:) আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আস, জাবের বিন আবদুল্লাহ (রা:) অন্যতম। এছাড়া আরও অনেক সাহাবী হাদীছ লিখে রেখেছিলেন। তাদের প্রত্যেকের নিকট সহীফা ছিল।
বিশিষ্ট গবেষক ও মুহাদ্দিস মুহাম্মদ মোস্তফা আযামী ‘দেরাসাহ্ ফীল হাদীছ আন্‌ নববী ওয়া তারিখে তাদভীনেহী’ (পৃঃ ৯২-১৪২) নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, প্রায় ৫২জন সাহাবী হাদীছ লিপিবদ্ধ করেছেন। সাহাবায়ে কেরামের পর তাবেঈদের মধ্যেও অনেকে হাদীছ লিপিবদ্ধ করেছেন এবং তাদের নিকট সহীফা ছিল। আর তাঁদের সংখ্যা প্রায় ১৫২ ছিল।
হাদীছ না লিখার দলীল:
বিরুদ্ধবাদীরা হাদীছ লিপিবদ্ধ না করা সংক্রান্ত একটি হাদীছ পেয়ে খুবই লাফালাফি করে বলে যে হাদীছ লিখতে নিষেধ করা হয়েছে। হাদীছটি নিম্নরূপ:
আবু সাঈদ খুদরী (রা:)বলেন,রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন, “তোমরা আমার নিকট থেকে কোন কিছু লিখিও না। যে ব্যক্তি আমার নিকট থেকে কুরআন ব্যতীত অন্য কিছু লিখবে সে যেন তা মিটিয়ে দেয়। আর তোমরা আমার নিকট থেকে হাদীছ বর্ণনা কর অসুবিধা নেই। যে ব্যক্তি আমার উপর মিথ্যা রোপ করবে সে তার ঠিকানা জাহান্নামের নির্ধারণ করে নিবে।” (মুসনাদে আহমাদ, ১৭/৪৪৩ হা/১১৩৪৪, মুসলিম ১৪/২৯১)
তাদের দাবী যেহেতু এই হাদীছে কুরআন ব্যতীত অন্য কিছু লিখা নিষেধ করা হয়েছে, সুতরাং পরবর্তী যুগেও হাদীছ লিখা নিষেধ। তারা যে হাদীছটিকে তাদের মতের পক্ষের পায়, সেটি উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হয়। তাদের নিকট এই হাদীছটি যদি সত্য বলে গণ্য হয়, তবে উপরে উল্লেখিত হাদীছগুলোও সত্য। মতের পক্ষে কিছু পাওয়া গেলে গ্রহণ করতে হবে, আর বিপক্ষের সঠিক কথা গেলেও তা গ্রহণ করা যাবে না, এটা তো সুবিধাবাদীদের নীতি।
কিন্তু সঠিক নীতি হল, সবগুলো হাদীছের প্রতি আমল করতে চাইলে উভয় ধরণের হাদীছের মাঝে সামঞ্জস্য বিধান করতে হবে। কোন্ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে হাদীছগুলো বলা হয়েছে তার কারণ অনুসন্ধান করতে হবে।
এখানে তিন ধরণের সমাধান উল্লেখ করা যেতে পারে:
প্রথমত: প্রাধান্য দেয়া। অনুমতি সংক্রান্ত হাদীছগুলোকে নিষেধের হাদীছের উপর প্রাধান্য দিতে হবে। কেননা হাফেয ইবনে হাজার উল্লেখ করেছেন যে, ইমাম বুখারী ও আবু দাউদ এই হাদীছের একজন রাবী ‘হাম্মাম’ হাদীছটিকে মারফূ’ সূত্রে বর্ণনা করে ভুল করেছেন। হাদীছটি মাওকূফ হিসেবেই সঠিক। অর্থাৎ ইহা আবু সাঈদ খুদরী (রা:)এর কথা। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর কথা নয়। তখন আর কোন সমস্যা থাকে না। হাদীছ লিখার অনুমতির ক্ষেত্রে যে মারফূ’ হাদীছ সমূহ আছে তাই প্রাধান্য পাবে।
দ্বিতীয়ত: রহিত। অর্থাৎ হাদীছ লিখার অনুমতি সংক্রান্ত হাদীছ দ্বারা নিষিদ্ধতার হাদীছ রহিত হয়ে গেছে। কেননা অনুমতি সংক্রান্ত হাদীছগুলো পরের। অর্থাৎ বিদায় হজ্জের সময়ের, যা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর তিরোধানের অল্পকিছু দিন পূর্বে ছিল।
তৃতীয়ত: সামঞ্জস্য বিধান। ইমাম বাইহাকী বলেন, সম্ভবত: ভুলে যাওয়া যে সকল সাহাবীর ব্যাপারে আশংকা করা হয়েছিল তাদেরকে লিখতে অনুমতি দিয়ো হয়েছে। আর যার স্মরণ শক্তি দৃঢ় তাকে লিখতে নিষেধ করা হয়েছে। অথবা যারা কুরআন থেকে হাদীছকে পার্থক্য করতে পারবে না বা যাদের কাছে কুরআন ও হাদীছ সংমিশ্রণ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল তাদেরকে লিখতে নিষেধ করা হয়েছে। আর যাদের ক্ষেত্রে ঐ সম্ভাবনা নেই তাদেরকে অনুমতি দেয়া হয়েছে।

ইমাম যারকাশী সামঞ্জস্য বিধানের আরও কয়েকটি মত উল্লেখ করেছেন:
(১) নিষেধের হাদীছ শুধুমাত্র রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর জীবদ্দশার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কেননা রহিত করণ তখনও হতেই ছিল। তখন হাদীছ লিখলে রহিত কারী হাদীছ ও রহিত কৃত হাদীছ সংমিশ্রিত হয়ে যাবে, তাই নিষেধ করা হয়েছিল। দেখুন না, বিদায় হজ্জের খুতবায় ‘আবু শাহ’ নামক লোকটিকে হাদীছ লিখে দিতে অনুমতি দেয়া হয়েছে।
(২)নিষেধের কারণ ছিল, যাতে করে লিখক শুধু হাদীছের লিখিত বস্তুর উপর ভরসা করবে, ফলে মুখস্থ করার প্রবণতা হ্রাস পাবে।
(৩) যাতে করে কুরআনের সমতুল্য আরেকটি কিতাব না রাখা হয়। তাই নিষেধ করা হয়েছিল।
এই মতবিরোধ শুধু প্রথম যুগের জন্যে প্রযোজ্য ছিল। পরবর্তীতে উম্মতে মুসলিমার সকলেই হাদীছ লিপিবদ্ধ করার বিষয়ে ঐকমত পোষণ করেন।

  • তাই গ্রন্থাকারে ইমাম মালিক (রহঃ) সর্বপ্রথম হাদীছের গ্রন্থ লিখেছেন, যা ‘মুআত্বা’ নামে মুসলমান সমাজে পরিচিত। আজ পর্যন্ত সেই কিতাব মুসলমানদের নিকট নির্ভরযোগ্য সমাদৃত হাদীছ গ্রন্থ। তিনি ৯৩হিঃ সনে জন্ম গ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ ইমাম বুখারীর জন্মের প্রায় একশত বছর পূর্বে। আর ইমাম মালিক ‘রাবীয়া’র নিকট থেকে হাদীছ নিয়েছেন। যিনি মৃত্যু বরণ করে ১৩৬ হি: সনে। রাবীয়া অসংখ্য সাহাবীর সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের থেকে হাদীছ নিয়েছিলেন।
  •  ইমাম মালিক ইবনে শিহাব যুহরী থেকেও হাদীছ সংগ্রহ করেছেন। যিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর দশের অধিক সাহাবীর সাক্ষাত লাভ করেছেন এবং তাদের নিকট থেকে হাদীছ সংগ্রহ করেছেন।
  •  ইমাম মালিক ‘নাফে’ থেকে ৮০টি হাদীছ সংগ্রহ করেছেন। তিনি বড় তাবেঈদের অন্যতম ছিলেন। তিনি সাহাবী ইবনে ওমার (রা:)এর তিরিশ বছর খেদমত করেছেন এবং তাঁর নিকট থেকে হাদীছ নিয়েছেন। নাফে আরও হাদীছ নিয়েছেন আবু সাঈদ খুদরী, আয়েশা, উম্মে সালামা, আবু হুরাইরা (রা:) প্রমুখ থেকে। নাফে’ মদীনায় মৃত্যু বরণ করেন ১৫৯হিজরিতে। অর্থাৎ ইমাম বুখারীর জন্মের ২৫বছর পূর্বে।
  •  পঞ্চম খলীফা নামে পরিচিত ওমার বিন আবদুল আযীয যখন খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ১০১ হিজরিতে অর্থাৎ ইমাম বুখারীর জন্মের ৯৩ বছর পূর্বে, তখন তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর হাদীছ সংগ্রহের জন্যে অধ্যাদেশ জারি করেন।

এই আলোচনার পর সত্য উদ্ঘাটন হয়েছে অতএব فَمَاذَا بَعْدَ الْحَقِّ إِلَّا الضَّلَالُ “সত্য প্রকাশিত হওয়ার পর গুমরাহী ব্যতীত কিছু বাকী থাকে না।” (সূরা ইউনুস: ৩২) يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ حَسْبُكَ اللَّهُ وَمَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ “হে নবী আল্লাহই আপনার জন্যে যথেষ্ট এবং আপনার অনুসরণকারী মু’মিনগণ।” (সূরা আনফালঃ ৬৪)

আফসোস হাদীছ অস্বীকারকারীদের জন্যে তারা বলল না:سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ “শুনলাম ও মানলাম, তোমার ক্ষমা চাই হে আমাদের পালনকর্তা, তোমার কাছেই ফিরে যেতে হবে।” (২:২৮৫) বরং তারা বলল سَمِعْنَا وَعَصَيْنَا وَاسْمَعْ غَيْرَ مُسْمَعٍ وَرَاعِنَا لَيًّا بِأَلْسِنَتِهِمْ وَطَعْنًا فِي الدِّينِ “শুনলাম ও অমান্য করলাম, আরও বলে শোন, না শোনার মত। আর তারা স্বীয় জিহ্বা কুঞ্চিত করে ও ধর্মের প্রতি দোষারোপ করে বলে ‘রয়েনা’। (৪:৪৬)

হাদীসের মর্যাদা ও হাদীস অমান্য করার পরিণতি-১

This Post Has One Comment

  1. জাজক আল্লাহ খাইর খুব সুন্দর পোস্ট আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহুআকবার।

Leave a Reply