Fri. Jul 23rd, 2021



৪৭২. প্রশ্নঃ সাহাবী কাকে বলে?

উত্তরঃ যাঁরা ঈমানের সাথে নবী (সাঃ)এর সাথে সাক্ষাত লাভ করেছেন এবং ঈমানের উপর অটল থেকে মৃত্যু বরণ করেছেন তাঁদেরকে বলা হয় সাহাবী।

৪৭৩.  প্রশ্নঃ জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবী কে কে?

উত্তরঃ (১) আবু বকর (রাঃ)

(২) ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

(৩) ঊছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)

(৪) আলী বিন আবী তালেব (রাঃ)

(৫) আবদুর রহমান বিন আউফ (রাঃ)

(৬) সাঈদ বিন যায়েদ (রাঃ)

(৭) সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)

(৮) আবু উবাইদা ইবনুল জার্‌রাহ (রাঃ)

(৯) ত্বলহা বিন উবাইদুল্লাহ (রাঃ)

(১০) যুবাইর বিন আওয়াম (রাঃ)

৪৭৪. প্রশ্নঃ ইসলামের চার খলীফার নাম কি?

উত্তরঃ ১) আবু বকর (রাঃ)

২) ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

৩) উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)

৪) আলী বিন আবী তালেব (রাঃ)

৪৭৫. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাঃ) বলেন, আমার পরে নবী এলে তিনি হতেন? কিন্তু আমার পর কোন নবী নেই।

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৪৭৬. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হয় যুন্‌নূরাইন?

উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)।

৪৭৭. প্রশ্নঃ কেন উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)কে যুন্‌নূরাইন বলা হত।

উত্তরঃ এজন্যে যে তিনি নবী (সাঃ)এর দুকন্যাকে বিবাহ করেছিলেন। (প্রথমে যায়নাব, তাঁর মৃত্যুর পর উম্মে কুলছুম রাঃকে বিবাহ করেছিলেন)

৪৭৮. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধী ছিল আবু তুরাব।

উত্তরঃ আলী (রাঃ)।

৪৭৯. প্রশ্নঃ কোন্‌ সাহাবীকে দেখলে ফেরেশতারা লজ্জিত হতেন?

উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)। তিনি ছিলেন খুবই লাজুক।

৪৮০.প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর ঈমানের সাথে সমস্ত মানুষের ঈমান ওযন করলে তাঁর ঈমানের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)

৪৮১.প্রশ্নঃ আবু বকর (রাঃ) এর প্রকৃত নাম কি?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন উছমান (রাঃ)।

৪৮২. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর দশ বছর খিদমত করেন?

উত্তরঃ আনাস বিন মালেক (রাঃ)

৪৮৩.প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হত জীবন্ত শহীদ?

উত্তরঃ ত্বলহা বিন উবাইদুল্লাহ (রাঃ)।

৪৮৪. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হত উড়ন্ত শহীদ?

উত্তরঃ জাফার বিন আবী তালেব (রাঃ)।

৪৮৫. প্রশ্নঃ ফেরেশ্‌তাগণ কোন সাহাবীর গোসল দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ হানযালা (রাঃ)।

৪৮৬. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হত সাইফুল্লাহ বা আল্লাহর তরবারী?

উত্তরঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)।

৪৮৭.প্রশ্নঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ কোন্‌ যুদ্ধে নয়টি তরবারী ভেঙ্গেছিলেন?

উত্তরঃ মূতার যুদ্ধে।

৪৮৮. প্রশ্নঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ কোন যুদ্ধে সাইফুল্লাহ উপাধী লাভ করেছিলেন?

উত্তরঃ মূতার যুদ্ধে।

৪৮৯. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) গোপন বিষয় জানাতেন?

উত্তরঃ হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ)।

৪৯০. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী রাসূলুল্লাহ (সাঃ)এর সময় ফতোয়া দিতেন?

উত্তরঃ মুআয বিন জাবাল (রাঃ)।

৪৯১. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছিল?

উত্তরঃ সাদ বিন মুআয (রাঃ)

৪৯২. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে জান্নাতের আটটি দরজা থেকেই আহবান করা হবে?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

৪৯৩. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে সাইয়্যেদুশ্‌ শোহাদা বলা হয়?

উত্তরঃ হামযা বিন আবদুল মুত্তালেব (রাঃ)

৪৯৪. প্রশ্নঃ হামযা (রাঃ) কোন যুদ্ধে শহীদ হন?

উত্তরঃ উহুদ যুদ্ধে।

৪৯৫.প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাঃ) ইসলামের প্রথম দূত (শিক্ষক) হিসেবে মদীনায় প্রেরণ করেন?

উত্তরঃ মুসআব বিন উমাইর (রাঃ)।

৪৯৬. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর চাচা এবং দুধ ভাই ছিলেন?

উত্তরঃ হামযা বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ)।

৪৯৭.প্রশ্নঃ নবী (সাঃ) মেরাজে গিয়ে কোন সাহাবীর পায়ের আওয়ায শুনতে পান?

উত্তরঃ বেলাল বিন রাবাহ (রাঃ)।

৪৯৮. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী ইসলামের প্রথম মুআয্‌যিন ছিলেন?

উত্তরঃ বেলাল বিন রাবাহ (রাঃ)।

৪৯৯. প্রশ্নঃ নবী (সাঃ) এর কতজন মুআয্‌যিন ছিলেন?

উত্তরঃ তিনজন। বেলাল বিন রাবাহ, আবদুল্লাহ বিন উম্মে মাকতূম ও আবু মাহযূরা (রাঃ)

৫০০. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন সাহাবীর নিকট থেকে কুরআন তেলাওয়াত শুনেছেন?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ)

৫০১. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সূরা বাকারা তেলাওয়াত করার সময় আসমান থেকে ফেরেশতা নাযিল হয়েছিল?

উত্তরঃ উসাইদ বিন হুযাইর (রাঃ)।

৫০২. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে তরজুমানুল কুরআন (কুরআনের অনুবাদক) ও সাইয়্যেদুল মুফাস্‌সিরীন (শ্রে তাফসীরকারক) বলা হত?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ)।

৫০৩. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুআ করেছিলেন, “হে আল্লাহ তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান কর এবং কুরআনের তাফসীর শিক্ষা দান কর”?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ)

৫০৪.    প্রশ্নঃ কোন তিনজন সাহাবী তাবুক যুদ্ধে অংশ নেয়া থেকে বিরত ছিলেন?

উত্তরঃ (১) মুরারা বিন রাবীআ (২) কাব বিন মালেক (৩) হিলাল বিন উমাইয়্যা (রাঃ)

৫০৫.প্রশ্নঃ কোন সাহাবী দুআ করলেই আল্লাহ কবূল করতেন?

উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

৫০৬.    প্রশ্নঃ জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত দশজন সাহাবীর মধ্যে সবশেষে কার মৃত্যু হয়?

উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

৫০৭.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর মামা ছিলেন?

উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

৫০৮.প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাঃ)এর কবি বলা হত?

উত্তরঃ হাস্‌সান বিন ছাবেত (রাঃ)।

৫০৯.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (ছাঃ) বলেন, আমার উম্মতের মধ্যে হালাল-হারাম সম্পর্কে সর্বাধিক জ্ঞানী।?

উত্তরঃ মুআয বিন জাবাল (রাঃ)।

৫১০.প্রশ্নঃ বদর যুদ্ধে জনৈক সাহাবীর তরবারী ভেঙ্গে গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হাতে একটি ডাল তুলে দেন। ডালটি তরবারির কাজ করে। সাহাবীর নাম কি?

উত্তরঃ উক্কাশা বিন মেহসান (রাঃ)।

৫১১.     প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি দুনিয়া ও আখেরাতে আমার ভাই?

উত্তরঃ আলী বিন আবু তালেব (রাঃ)।

৫১২.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের পূর্বে ওমরা করার অনুমতি দেন? তিনি প্রকাশ্যে তালবিয়া পড়ে মক্কা প্রবেশ করেন কিন্তু মুশরেকরা বাধা দেয়ার সাহস পায়নি।

উত্তরঃ ছুমামা বিন আছাল (আঃ)।

৫১৩.    প্রশ্নঃ কোন খলীফাকে পঞ্চম খোলাফায়ে রাশেদা বলা হয়?

উত্তরঃ উমাইয়া খলীফা ওমর বিন আবুদল আযীয (রহঃ)কে।

৫১৪.    প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে ইসলামী অভিভাদন সালাম প্রদান করেন?

উত্তরঃ আবু যর গিফারী (রাঃ)

৫১৫.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “প্রত্যেক নবীর একজন বিশেষ সাহায্যকারী থাকে, আমার সাহায্যকারী হচ্ছে..?

উত্তরঃ যুবাইর বিন আওয়াম (রাঃ)

৫১৬.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে খোঁড়া শহীদ বলা হয়?

উত্তরঃ আমর বিন জামূহ (রাঃ)। কেননা তিনি খোঁড়া অবস্থায় উহুদ যুদ্ধে অংশ নিয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

৫১৭.     প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে রাস্তা দিয়ে চলতে দেখলে শয়তান অন্য রাস্তা দিয়ে চলত?

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৫১৮.     প্রশ্নঃ ওমর (রাঃ)কে ফারূক্ব নামে অভিহিত করার কারণ কি ছিল?

উত্তরঃ কেননা তাঁর ইসলাম গ্রহণের কারণে প্রকাশ্যে ইসলাম ও কুফরের মাঝে পার্থক্য সুস্পষ্ট হয়ে পড়ে।

৫১৯.  প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, “হারূন যেমন মূসার স্থলাভিষিক্ত ছিলেন, তুমি আমার নিকট সেই রকম মর্যাদা সম্পন্ন, তবে আমার পরে কোন নবী নেই।”

       উত্তরঃ আলী (রাঃ)কে।

৫২০.    প্রশ্নঃ ২০ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই কোন সাহাবীকে একটি যুদ্ধের সেনাপতি নিয়োগ করা হয়?

উত্তরঃ উসামা বিন যায়েদ (রাঃ)কে।

৫২১.  প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী কাবা ঘরে আযান প্রদান করেন?

উত্তরঃ বেলাল (রাঃ)।

৫২২. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সবচেয়ে বেশী হাদীছ বর্ণনা করেন?

উত্তরঃ আবু হুরায়রা (রাঃ)।

৫২৩.     প্রশ্নঃ আবু হুরায়রা (রাঃ) এর আসল নাম কি?

উত্তরঃ আবদুর রহমান বিন সাখার আদ্‌ দাওসী (রাঃ)।

৫২৪.  প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে জিনে হত্যা করেছিল?

উত্তরঃ সাদ বিন উবাদা (রাঃ)কে।

৫২৫.     প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে সর্বশ্রে কুরআন পাঠক বলা হত?

উত্তরঃ উবাই বিন কাব (রাঃ)।

৫২৬.   প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে আবু বকর (রাঃ) কুরআন একত্রিত করার দায়িত্ব প্রদান করেন?

উত্তরঃ যায়েদ বিন ছাবেত (রাঃ)।

৫২৭.   প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর পরামর্শে নবী (সাঃ) মদীনায় খন্দক খনন করেন?

উত্তরঃ সালমান ফারেসী (রাঃ)।

৫২৮.    প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবী সবচেয়ে বেশী হাদীছ বর্ণনা করেন?

উত্তরঃ উম্মুল মুমেনীন আয়েশা (রাঃ)।

৫২৯.    প্রশ্নঃ জনৈক সাহাবী উহুদ যুদ্ধে শহীদ হন। কিন্তু আল্লাহর জন্যে তিনি একটি সিজদাও করার সুযোগ পাননি। তিনি কে?

উত্তরঃ আমর বিন ছাবেত বিন ক্বায়স (রাঃ)। কেননা তিনি ইসলাম গ্রহণ করেই যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।

৫৩০.প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সর্বশেষ মৃত্যু বরণ করেন?

উত্তরঃ আবু তুফাইল আমের বিন ওয়াছেলা (রাঃ)।

৫৩১.    প্রশ্নঃ কোন্‌ সাহাবীকে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ মক্কায় হত্যা করেছিল?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)।

৫৩২.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবী দাজ্জালকে দেখেছেন যে, সে একটি দ্বীপে বন্দী অবস্থায় রয়েছে?

উত্তরঃ তামীম বিন আওস আদ্‌দারী (রাঃ)।

৫৩৩.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর আকৃতী ধারণ করে নবী (ছাঃ)এর নিকট জিবরীল ফেরেশতা নাযিল হতেন।

উত্তরঃ দেহইয়া আল কালবী (রাঃ)।

৫৩৪.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবী কিসরার হাতের বাদশাহী চুরি পরিধান করেন?

উত্তরঃ সুরাকা বিন মালেক (রাঃ)।

৫৩৫.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবী মানত করেছিলেন যে, তিনি যেন কোন মুশরিককে স্পর্শ না করেন এবং কোন মুশরিকও যেন তাকে স্পর্শ করতে না পারে?

উত্তরঃ আছেম বিন ছাবেত (রাঃ)।

৫৩৬.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবী গোপনে নয় বরং প্রকাশ্যে হিজরত করেছিলেন?

উত্তরঃ ওমার বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৫৩৭.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধি ছিল সাইফুল্লাহ বা আল্লাহর উন্মুক্ত তরবারী।

উত্তরঃ খালেদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)।

৫৩৮.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সর্বপ্রথম আল্লাহর পথে তীর নিক্ষেপ করেন?

উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

৫৩৯.   প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবীকে বায়তুল মালের দায়িত্ব প্রদান করা হয়?

উত্তরঃ আবু উবাইদা বিন জার্‌রাহ (রাঃ)।

৫৪০.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধি ছিল এ উম্মতের আমানতদার।

উত্তরঃ আবু ঊবাইদা বিন জার্‌রাহ (রাঃ)।

৫৪১.    প্রশ্নঃ কোন খলীফা সর্বপ্রথম আমীরুল মুমেনীন উপাধিতে ভূষিত হন?

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৫৪২.   প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মদীনায় হিজরত করার পর সর্বপ্রথম যে শিশু জন্ম গ্রহণ করে তার নাম কি?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)।

৫৪৩.    প্রশ্নঃ আবু বকর ও আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)এর মাঝে আত্মীয়তার সম্পর্ক কিরূপ?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ) আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)এর নানা।

৫৪৪.   প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী হিজরী সন গণনার প্রবর্তন করেন?

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৫৪৫.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সর্বপ্রথম নিহত হওয়ার পূর্বে দুরাকাত নামাযের প্রচলন করেন?

উত্তরঃ খুবাইব বিন আদী (রাঃ)।

৫৪৬.   প্রশ্নঃ আনসারী সাহাবীদের মধ্যে সর্বপ্রথম কোন সাহাবী ইসলাম গ্রহণ করেন?

উত্তরঃ মুআয বিন আফরা (রাঃ)।

৫৪৭.   প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী হাবশায় (আবিসিনিয়া) হিজরত করেন?

উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)।

৫৪৮.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধি ছিল আসাদুল্লাহ।

উত্তরঃ আলী বিন আবী তালিব (রাঃ)।

৫৪৯. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাঃ) বলেন, আমার এ ছেলে নেতা, সম্ভবতঃ আল্লাহ তার মাধ্যমে মুসলমানদের বিবাদমান বড় দুটি দলের মধ্যে বিরোধ মিমাংসা করে দিবেন?

উত্তরঃ হাসান বিন আলী (রাঃ)

৫৫০.প্রশ্নঃ কোন দুজন সাহাবীকে জান্নাতের যুবকদের সরদার বলা হয়েছে?

উত্তরঃ হাসান ও হুসাইন (রাঃ)কে।

৫৫১.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর কবর খনন করেছিলেন?

উত্তরঃ আবু তালহা (রাঃ)।

৫৫২.    প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবীকে আল্লাহ তাআলা জিবরীল মারফত সালাম পাঠিয়েছেন?

উত্তরঃ খাদীজা (রাঃ)।

৫৫৩.    প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কাকে সবচেয়ে বেশী ভালবাসতেন?

উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ)কে?

৫৫৪.     প্রশ্নঃ পুরুষদের মধ্যে কাকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সবচেয়ে বেশী ভালবাসতেন?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)কে?

৫৫৫.        প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)এর কোন্‌ স্ত্রী ছিলেন অধিক সিয়াম পালন কারীনী ও অধিক নফল নামায আদায় কারীনী?

উত্তরঃ হাফছা বিনতে ওমর (রাঃ)।

৫৫৬.    প্রশ্নঃ উহুদ যুদ্ধে জনৈক মহিলা সাহাবীর পিতা, ভাই, চাচা ও চাচাতো ভাই শহীদ হন। যখন তিনি শুনলেন নবী (সাঃ) বেঁচে আছেন, তখন বলেন তার সকল দুঃখ তুচ্ছ। সেই মহিলার নাম কি?

উত্তরঃ আসমা বিনতে ইয়াযীদ ইবনু সাকান (রাঃ)।

৫৫৭.    প্রশ্নঃ স্বপ্নের মাধ্যমে নির্দেশ প্রাপ্ত হয়ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) একটি বিবাহ করেন। কে ছিলেন সেই স্ত্রী?

উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ)।

৫৫৮.    প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কোন স্ত্রীর পবিত্রতায় পবিত্র কুরআনে ১০ টি আয়াত নাযিল হয়।

উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ)।

৫৫৯.   প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কোন স্ত্রীকে আল্লাহ তাআলা জিবরীল (আঃ) মারফত সালাম দিয়েছেন?

উত্তরঃ খাদীজা (রাঃ)

৫৬০.    প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)একদা তাঁর জনৈক স্ত্রীকে তালাক প্রদান করেন। তখন জিবরীল (আঃ) এসে তাঁকে বলেন, আপনি তাকে ফিরিয়ে নিন। কেননা তিনি অধিক ছিয়াম পালনকারীনী এবং অধিক নফল নামায আদায় কারীনী। আর তিনি জান্নাতে আপনার স্ত্রী। তাঁর নাম কি?

উত্তরঃ হাফছা বিনতে ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

৫৬১.    প্রশ্নঃ নবী (সাঃ)এর কন্যা যায়নাব মৃত্যু বরণ করলে জনৈক মহিলা সাহাবী তাকে গোসল দেন। সেই মহিলার নাম কি?

উত্তরঃ উম্মে আত্বিয়্যা আনসারী (রাঃ)।

৫৬২.   প্রশ্নঃ কোন সেই সৌভাগ্যবান সাহাবী যার ইমামতিতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নামায আদায় করেছেন?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

৫৬৩.    প্রশ্নঃ আবু বকর ব্যতীত আরেকজন সৌভাগ্যবান সাহাবী আছেন যার ইমামতিতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নামায আদায় করেছেন। কে তিনি?

উত্তরঃ আবদুর রহমান বিন আউফ (রাঃ)।

৫৬৪.   প্রশ্নঃ কোন সাহাবী বদর যুদ্ধে নিজ পিতা মুশরিক হওয়ার কারণে তাকে হত্যা করেন?

উত্তরঃ আবু উবাইদা ইবনুল জার্‌রাহ (রাঃ)।

৫৬৫.    প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবীকে দুই শহীদের মাতা বলা হয়? তিনি মৃত্যু বরণ করলে রাসূল (সাঃ) নিজের জামা দ্বারা কাফন পরান এবং নিজে তাকে কবরে রাখেন।

উত্তরঃ ফাতেমা বিনতে আসাদ (রাঃ)

৫৬৬.   প্রশ্নঃ রাসূল (সাঃ)এর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে কে সর্বপ্রথম মৃত্যু বরণ করেন?

উত্তরঃ যায়নাব বিনতে জাহাশ (রাঃ)।

৫৬৬.   প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর দশ বছর খেদমত করেন?

উত্তরঃ আনাস বিন মালেক (রাঃ)।

৫৬৭.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর জন্য নবী (সাঃ) দুআ করেছিলেন, “হে আল্লাহ তার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি বাড়িয়ে দাও এবং তাতে বরকত প্রদান কর।”

উত্তরঃ আনাস বিন মালেক (রাঃ)।

৫৬৮.   প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর ওহী লিখক ছিলেন এবং আত্মীয়তার দিক থেকে তাঁর শ্যালক ছিলেন?

উত্তরঃ মুআবিয়া বিন আবু সুফিয়ান (রাঃ)।

৫৬৯.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর জান্নাতী স্ত্রীকে নবী (সাঃ) জান্নাতে দেখে এসেছেন?

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৫৭০.    প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ৬৩ বয়সে মৃত্যু বরণ করেন। সাহাবীদের মধ্যে কে কে এই বয়সে মৃত্যু বরণ করেছিলেন?

উত্তরঃ আবু বকর, ওমর ও আলী (রাঃ)।

৫৭১.   প্রশ্নঃ একজন মহিলা সাহাবী- দুবার হিজরত করেন, দুই ক্বিবলার দিকে নামায পড়েন, ¯^vgx মারা গেলে নিজে তার গোসল দেন, নবীজীর সাথে বিদায় হজ্জে বের হয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব করেন। তাঁর নাম কি?

উত্তরঃ আসমা বিনতে উমাইস (রাঃ)।

৫৭২.    প্রশ্নঃ উহুদ যুদ্ধে কোন সাহাবীকে তীরন্দাজ বাহীনীর নেতৃত্ব দেয়া হয়?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন জুবাইর আনছারী (রাঃ)।

৫৭৩.   প্রশ্নঃ কোন সাহাবী কাদেসিয়ার যুদ্ধে সেনাপতি ছিলেন?

উত্তরঃ সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ)।

৫৭৪.    প্রশ্নঃ রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কন্যা যায়নাবের (রাঃ) স্বামী কে ছিলেন?

উত্তরঃ আবুল আস বিন রাবী (রাঃ)।

৫৭৫.   প্রশ্নঃ কোন সেই সাহাবী যিনি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর দু কন্যা প্রথমে রুকাইয়্যা ও পরে উম্মে কুলছুমের (রাঃ) স্বামী ছিলেন?

উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)।

৫৭৬.   প্রশ্নঃ মক্কা বিজয়ের দিন নবী (সাল্লাল্ল­াহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কারে হাতে কাবা ঘরের চাবি দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ উছমান বিন ত্বলহা (রাঃ)।

৫৭৭.    প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্ল­াহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তার পদযুগল ক্বিয়ামতের দিবসে উহুদ পাহাড়ের চাইতে অধিক ভারী হবে?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)।

৫৭৮.    প্রশ্নঃ যে সাহাবী স্বপ্নে আযান দেয়ার পদ্ধতি শিখেছিলেন তাঁর নাম কি?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন যায়দ ইবনে আব্দে রাব্বেহী (রাঃ)।

৫৭৯ .প্রশ্নঃ উম্মতে মুহাম্মাদীর মধ্যে সব চাইতে করুণাশীল ব্যক্তি কে ছিলেন?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

৫৮০.    প্রশ্নঃ কোন নারী জান্নাত বাসীদের রমনীদের সর্দার?

উত্তরঃ ফাতিমা (রাঃ)।

৫৮১.    প্রশ্নঃ জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর চাচা হামযা (রাঃ)কে উহুদ যুদ্ধে শহীদ করেন। পরবর্তিতে তিনি মুসলমান হয়ে যান। কিন্তু তিনি যখনই নবী (সাঃ)এর সম্মুখে আসতেন তিনি বলতেন: তোমাকে দেখলেই চাচা হামযার কথা আমার মনে এসে যায়, তাই তুমি আমার সামনে এসো না। সেই ব্যক্তির নাম কি?

উত্তরঃ ওয়াহশি (রাঃ)

৫৮২.    প্রশ্নঃ জনৈক সাহাবী যাতু সালাসেল যুদ্ধে স্বপ্নদোষের কারণে নাপাক হয়ে যান। কিন্তু পানি ভীষণ ঠাণ্ডা হওয়ার কারণে তিনি গোসল না করে তায়াম্মুম করেন এবং দলীল পেশ করেন যে, আল্লাহ বলেনঃ “তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো না।” (সূরা নিসাঃ ২৯)। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এই ঘটনা শুনে হেঁসেছেন কিন্তু কোন মন্তব্য করেন নি। (আবু দাউদ) উক্ত সাহাবীর নাম কি?

উত্তরঃ আমর বিন আস (রাঃ)।

৫৮৩.    প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবীকে কুরআনের প্রহরী হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে?

উত্তরঃ হাফসা বিনতে ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

(চলবে ইনশআল্লাহ। পরবর্তী বিষয়: ফিকহ)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *